জানলে অবাক হবেন এই প্রাণী গুলো বিলুপ্তির পথে
১। ডোডো
ডোডো হলো একটি বিলুপ্ত পাখি। এটি উড়তে পারে না। এই পাখিটি মাদাগাস্কারের পূর্বে ভারত মহাসাগরের মরিশাস দ্বীপের একটি স্থানীয় প্রজাতি। এটি মুরগির চেয়ে আকারে কিছুটা বোরো। এটি প্রায় এক মিটার লম্বা এবং ওজনে প্রায় ১০ -১৮ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
কিছু আক্রমণাত্মক প্রাণী এবং মানুষের শিকারের ফলে ের আজ বিলুপ্তের পথে।
২। তাসমানিয়ান বাঘ
তাসমানিয়ান বাঘ একটি বিলুপ্ত মাংসাশী স্তন্যপায়ী প্রাণী। এটি অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ড এবং নিউল্যান্ডের তামানিয়া অঞ্চলের একটি স্থানীয় প্রজাতি। প্রাণীটির শরীর ক্যাঙ্গারুর মতো প্রসারিত ছিল এবং দেখতে একটি মাঝারি থেকে বড় আকারের কুকুরের চেহারার মতো ছিল। কাঁধের উচ্চতা ছিল প্রায় ২ ফুট এবং শরীরের দৈর্ঘ্য ছিল ৩.৪ –৪.৩ ফুট। শিকারের কারণেই এটি বিলূপ্তহের পথে বলে অনুমান করা হয়। 1936 সালে তাসমানিয়ার হোবার্ট চিড়িয়াখানায় এটি শেষ দেখা যায়।
৩। স্টেলার সি কাউ

এটি একটি এইচ. গিগাস প্রজাতির চোরডাটা ফিলামের স্তন্যপায়ী শ্রেণীর প্রাণী। এটি অল্যাস্কা এবং রাশিয়ার মধ্যে বেরিং সাগরের দ্বীপপুঞ্জের বুকে অবস্থিতি পাওয়া গিয়েছিলো। একটি প্রাপ্তবয়স্ক স্টেলার সি কাউ এর ওজন 8-10 টন এবং লম্বায় প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রাণীটির প্রচুর পরিমাণে মাংস ছিল যা সহজে নষ্ট হতো না তাই এটি শিকারিদের কাছে একটি অন্যতম শিকার ছিল। ইউরোপীয়দের দ্বারা আবিষ্কারের 27 বছরের মধ্যে, স্টেলার সি কাউ বিলুপ্তির পথে শিকার হয়েছিল।
৪। স্মিলোডন
আকারে বন্য বিড়ালের চেয়ে বড় এবং দেখতে বাঘের মতো শক্তিশালী পেশিবহুল সাবার-দাঁতওয়ালা এই প্রাণীটির নাম হলো স্মিলোডন। স্মিলোডনের জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয় উত্তর আমেরিকায় 19 শতকের দ্বিতীয়ার্ধএ। এটি ওজনে প্রায় ৫৫ – ১০০ কেজি পর্যন্ত হয়। তৃণভোজী প্রাণী কমে যাওয়ার কারণে এবং জলবায়ুৰ পরিবর্তনের কারণে এটি বিলুপ্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হয়।
৫। স্প্যানিশ আইবেক্স
স্প্যানিশ আইবেক্স একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী যা আইবেরিয়ান ছাগলের চারটি উপপ্রজাতির একটি যা আইবেরিয়ান উপদ্বীপে পাওয়া যায়। এটি ক্যান্টাব্রিয়ান পর্বতমালা , দক্ষিণ ফ্রান্স এবং উত্তর পাইরেনিসে মূলত বেশি ছিল। ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন এর বিভিন্ন জায়গায় এটি দেখা যেত। এদের কাঁধ ৬০-৭৬ সেমী পর্যন্ত উঁচু হতো। এদের রং ধূসর বাদামী বর্ণের হতো। ঊনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে এর সংখ্যা 100-এরও কম হয়ে গিয়েছিল। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে এই প্রজাতিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।
